'তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সারা দেব !' -(সূরা মুমিনঃ ৬০)
يَا مَفْزَعِيْ عِنْدَ كُرْبَتِيْ وَ يَا غَوْثِيْ عِنْدَ شِدَّتِيْ إِلَيْكَ فَزِعْتُ وَ بِكَ اسْتَغَثْتُ وَ بِكَ لُذْتُ لَا أَلُوْذُ بِسِوَاكَ وَ لَا أَطْلُبُ الْفَرَجَ إِلَّا مِنْكَ فَأَغِثْنِيْ وَ فَرِّجْ عَنِّيْ يَا مَنْ يَقْبَلُ الْيَسِيْرَ وَ يَعْفُوْ عَنِ الْكَثِيْرِ اقْبَلْ مِنِّي الْيَسِيْرَ وَاعْفُ عَنِّي الْكَثِيْرَ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ إِيْمَاناً تُبَاشِرُ بِهِ قَلْبِيْ وَ يَقِيْناً صَادِقاً حَتَّى أَعْلَمَ أَنَّهُ لَنْ يُصِيْبَنِيْ إِلَّا مَا كَتَبْتَ لِيْ وَ رَضِّنِيْ مِنَ الْعَيْشِ بِمَا قَسَمْتَ لِيْ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ يَا عُدَّتِيْ فِيْ كُرْبَتِيْ وَ يَا صَاحِبِيْ فِيْ شِدَّتِيْ وَ يَا وَلِيِّيْ فِيْ نِعْمَتِيْ وَ يَا غَايَتِيْ فِيْ رَغْبَتِيْ أَنْتَ السَّاتِرُ عَوْرَتِيْ وَ الْآمِنُ رَوْعَتِيْ وَ الْمُقِيْلُ عَثْرَتِيْ فَاغْفِرْلِيْ خَطِيْئَتِيْ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِيْنَ
আমার বিপদাপদে হে আমার আশ্রয়স্থল! দুঃখ-কষ্টে হে আমার সাহায্যকারী! তোমার কাছে আমি আশ্রয় নিয়েছি, তোমার কাছেই আশ্রয় নিয়েছি, তুমি ব্যতীত অন্য কারো কাছে আমি আশ্রয় নেই না। একমাত্র তোমার নিকট মুক্তি প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্! আমাকে সাহায্য করো এবং আমার থেকে জটিলতা দূর করে দাও। হে আল্লাহ্! যিনি বান্দা থেকে অতি অল্প আনুগত্য কবুল করেন এবং বান্দার অনেক পাপ ক্ষমা করে দেন। হে আল্লাহ্! আমার এ অল্প ইবাদত ও আনুগত্য কবুল করো এবং আমার অগণিত পাপ ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। হে আল্লাহ্! আমি তোমার কাছে এমন ঈমান চাচ্ছি যা সরাসরি আমার অন্তরে গেঁথে যায়, তোমার কাছে এমন সত্য জ্ঞান (ইয়াকীন) প্রার্থনা করছি যাতে আমি জানতে পারি যে, তুমিই আমার জন্য যা নির্ধারণ করেছ ও লিখেছ সেটাই আমি পাব। আর যে জীবন পদ্ধতি আমার জন্য বণ্টন করে দিয়েছ কেবল তাতেই আমাকে পরিতৃপ্ত ও সন্তুষ্ট রাখ। হে সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক দয়ালু! আমার বিপদাপদে হে আমার আশা-ভরসাস্থল! আমার দুঃখ-কষ্টে হে আমার সংগী! আমার নেয়ামতে হে আমার অভিভাবক! হে আমার আশা-আকাঙ্ক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যস্থল! তুমিই আমার দোষত্রুটি গোপনকারী, তুমিই ভয়-ভীতি ও বিহ্বলতায় আমার প্রশান্তিদাতা, তুমিই আমার স্খলন ক্ষমাকারী ও উপেক্ষাকারী। হে সর্বোত্তম দয়ালু! আমার পাপ ক্ষমা করো।
হারাম (অবৈধভাবে অর্জিত) ও সন্দেহভাজন জিনিস থেকে পবিত্র এমন কিছু খাদ্য দিয়ে ইফতার করতে হবে। এবং খেজুর দিয়ে ইফতার করা হচ্ছে মুস্তাহাব। দুধ অথবা হালুয়া দিয়ে ইফতার করাও উত্তম।
১. ইফতারের সময় এ দোয়া পড়া :
اَللّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ وَ عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ
হে আল্লাহ্! তোমারই জন্য রোযা রেখেছি, তোমার প্রদত্ত জীবিকা দিয়ে ইফতার করছি এবং তোমার ওপর ভরসা করছি।
২. ইফতারের শুরুতে খাবার মুখে দেয়ার সময় পড়ার আরেকটি দোয়া :
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمَانِ الرَّحِيْمِ يَا وَاسِعَ الْمَغْفِرَةِ اغْفِرْلِيْ
পরম করুণাময় ও দাতা আল্লাহ্র নামে, হে অত্যন্ত ক্ষমাশীল! আমাকে ক্ষমা করো।
সমাপ্ত